Thursday, April 21, 2016

Robert Downey Jr. says Sherlock 3 is filming “this year

ক্যাপ্টেন আমেরিকা সিভিল ওয়ারের প্রেস ট্যুর শেষ করে এবার রবার্ট ডাউনি জুনিয়র শারলক ৩ এর ব্যাপারে চিন্তা ভাবনা করছেন।
শর্টলিস্ট ম্যাগাজিনের সাথে এক আলাপে ডাউনি বলেছেন, "আমরা এ বছরেই এটা বানানোর চিন্তা করছি। আসলে শারলক মুভিগুলো তৈরি করা বা এতে কাজ করা খুব সহজ নয়। আমি এটা করতে গিয়ে ক্লান্ত হয়ে পড়ি কিন্তু এবারের ব্যাপারটা আলাদা।
২০১১ সালে শারলক হোমস আ গেম অভ শ্যাডোস মুক্তির পর থেকেই এ সিরিজের আর কোন মুভি আসবে কিনা তা নিয়ে গুঞ্জন ছিল। কিন্তু এবার ডাউনি নিজেই সেই গুঞ্জনের জবাব দিলেন স্বভাবসুলভ ভঙ্গিতেই, "আমরা এখন এটার প্রাথমিক কিছু কাজ করছি। পুরো মুভিটা যদি স্কাইপে করতে পারতাম তবে তো এক সপ্তাহেই শেষ করা যেত।"
অন্যদিকে নাইটস অভ দ্য রাউন্ডটেবিল - কিং আরথার মুভির কাজ দ্রুত শেষ করে শারলকের এবারের প্রজেক্টে হাত দিতে হবে গাই রিচিকে।
ওয়াটসন চরিত্রে অভিনয় করা জুড ল গত বছর এম্পায়ার ম্যাগাজিনকে বলেছিলেন এবারের শারলক মুভিটা হবে আগের দুটো মুভির মতই তবে একটু স্মার্ট।
আয়রন ম্যান ৩ এর ড্রিউ পিয়ারস এখন স্ক্রিপ্ট নিয়ে কাজ করছেন। তাই বলাই যায় যে যত তাড়াতাড়ি কলাকুশলীদের শিডিউল পাওয়া যাবে তত তাড়াতাড়ি আমরা শারলকের এই প্যাকটা পেয়ে যাব।
সুত্র এম্পায়ার ম্যাগাজিন

Wednesday, April 20, 2016

মনিকা বেলুচ্চি ইন্টারভিউ - দ্য টকস

২০১২ সালের অগাস্ট মাসের শেষের দিকে দ্য টকসের মুখোমুখি হয়ে নানা প্রশ্নের উত্তর দিয়েছিলেন সিনে ইতিহাসের অন্যতম সেরা সুন্দরী মনিকা বেলুচ্চি। আজকের পোস্ট সেই ইন্টারভিউ নিয়েই...

- খুব সুন্দরী বলেই কি একের পর এক কাজ করে যাচ্ছেন?

সৌন্দর্য কৌতূহল জাগায়। কিন্তু অস্কার ওয়াইল্ড বলেছেন যদি আপনার ভেতরে কৌতূহল ধরে রাখার মত কিছু না থাকে, তবে সৌন্দর্য মাত্র ৫ মিনিট দীর্ঘস্থায়ী। নিজের ক্যারিয়ার দেখে আমার মনে হয় না যে শুধুমাত্র সৌন্দর্যের জন্য আমার এত অর্জন। ডিরেক্টররা আপনাকে ডাকবেন সৌন্দর্য ও প্রতিভা – দু’য়ের সমন্বয়েই।

- সৌন্দর্য কখনও বাঁধা মনে হয়েছে?

অবশ্যই। আমি এসেছি ফ্যাশন জগত থেকে। দ্বিমুখী সমস্যার কবলে পড়ে গিয়েছিলাম আমি। এই ক্যারিয়ার গড়তে সৌন্দর্য ও ফ্যাশন অনেক সমস্যাদায়ক। সুন্দরী বলে অনেকে ভাবত যে আমি বোকা। কিন্তু এটা অনেকটা মুখোশের মত। এ থেকে আপনাকে বেরিয়ে আসতে হবে এবং মানুষকে আপনাকে আবিষ্কারের সুযোগ দিতে হবে।

- এ কারণেই কি আপনি এক্সট্রিম রোল বেছে নিতেন?

বলতে পারেন।

- নিজেকে প্রমাণ করতে হবে এখনও – মনে করেন এটা?

বাকিদের কাছে না। নিজের কাছে অবশ্যই।

- আসলেই?

অবশ্যই। নিজের সামর্থ্য খুঁজে বের করতে হবে আমাকে। কেউ যদি ভালো কোন একটা আইডিয়া নিয়ে আমার কাছে আসে তো ভালো লাগলে আমি অবশ্যই কাজ করব। আলোচিত হবে – এমন মুভি আমার পছন্দ। যেমন ইররিভারসিবল, ম্যালেনা, দ্য প্যাশন অভ দ্য ক্রাইস্ট। মানবতার অন্ধকার দিকটা তুলে ধরতে চাই আমি। এ কারণেই আমি একজন অভিনেত্রী।

- নিজের অভিনীত মুভি কি পরে আর দেখেন?

আমি সাধারণত এক মুভি দ্বিতীয়বার দেখি না। তবে ম্যালেনার মত মুভি বহু বছর পরে একাধিকবার দেখেছি।

- আপনার স্বামী ভিন্সেন্ট ক্যাসেলও একজন অভিনেতা। যখন তাকে টিভি পর্দায় দেখেন, কেমন লাগে?

মেসরিন দেখে আমি প্রথমে ওকে চিন্তেই পারিনি। পরে একটা পর্যায়ে গিয়ে মুভিতে জেলের ভেতর বাচ্চাদের সাথে ওর ব্যবহার দেখে চিন্তে পারি। ভালই লাগে।

- নিজেদের মধ্যে কাজ নিয়ে কথা হয়?

একদমই না। আমাদের পৃথিবী দুই রকম। ভিন্সেন্ট আমার বন্ধুদের চেনে না। আমি ওর বন্ধুদের চিনি 
না। আমরা একইরকম মানুষকে দেখি না। আমাদের জীবনটাও একইরকম নয়। ও ওর মত করে স্বাধীন। আমি আমার মত।

- জীবিকার জন্য বাবা-মাকে কি করতে হয় আপনার  সন্তানেরা তা জানে?
না। কিছুদিন আগে আমার মেয়ে আমাকে বলছে যে মা আমি তোমার মত হতে চাই। আমি কাজ করতে চাই না।আমি তোমার মত মা হতে চাই। এবং যখন আমার বয়স হবে তখন আমার মেয়ে কাজ করবে। আমার মেয়ে মনে করে যে আমি কোন কাজ করি না। এটা আমার জন্য আনন্দের। কারণ ও মনে করে আমি ওর সাথেই আছি সবসময়।

- একদিন মেয়েটা কি আপনার মত অভিনেত্রী হতে চাইবে?

আমার মনে হয় না।

- কেন?

কারণ অভিনয় বিশেষ ধরণের একটা কাজ। যদি সে আমাকে বলে যে সে একজন নাইট হতে চায় তো আমার তাতে আপত্তি নেই। কারণ জীবনে টার্গেট থাকাটা ভালো। ও যদি চায় তো অভিনয় করবে...

- আপনার পরিবারও কি এমন ছিল?

আমার পরিবার ছিল একদম অন্যরকম। তাই আমার জন্য এই ক্ষেত্রে কাজ করাটা সহজ ছিল। কিন্তু অভিনেতা অভিনেত্রী পরিবার থেকে এই ক্ষেত্রে কাজ করতে আসাটা খুব একটা সহজ কাজ নয়।

Saturday, March 12, 2016

মর্গান ফ্রিম্যান ইন্টারভিউ

“আমি তো কোন টানেল তৈরি করছি না। আমি কোন স্থাপনাও তৈরি করছি না। আমার কাজটা তাই তেমন কঠিন কিছু নয়, বরং আনন্দদায়ক। সে অর্থে বেশি কাজ করাটা উল্টো ভালো বলা যায়”

কথাগুলো মর্গান ফ্রিম্যানের। দিনের পর দিন কাজ করতে করতে ক্লান্তিবোধ করা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন।

ভরাট ও কিছুটা রাশভারী কণ্ঠ, ছোট ছোট উচ্চারণে কথা বলা আর প্রকৃতিগত অভিনয়ক্ষমতা এই মানুষটিকে দিয়েছে একটা অতি উচ্চ আসন। যে আসনে বসে এই বয়সেও তিনি অবাধে শাসন করে যাচ্ছেন মুভি দুনিয়া। আজকের পোস্ট তাই এনাকে নিয়ে...

নিজের বেকারজীবন নিয়ে করা এক প্রশ্নের উত্তরে ফ্রিম্যান বলেন, “উল্টাপাল্টা বহু চাকরির মধ্যে আমার কাছে সবচেয়ে বেশি খারাপ লেগেছিল একটা ফুড শপে কাজ করা। একটা অফিসে ক্লার্ক হিসেবে কাজ করার ঠিক আগেকার ঘটনা এটা। আমি কিছুটা বেশি বেতন চেয়েছিলাম কিন্তু তারা দিতে রাজি হয়নি। তাই আমি একটা প্রোগ্রামে ড্যান্সার হিসেবে অডিশন দেই এবং টিকে যাই। কিন্তু দুর্ভাগ্যবশত মাত্র ৩ মাসের মাথায় প্রোগ্রামটা বন্ধ হয়ে যায়। তখন আমি কফি ও ডোনাট সরবরাহের কাজটা নেই। এক রাতে ওই প্রোগ্রামে কাজ করাকালীন সময়ের এক কলিগ আসে আমার এখানে। ওকে দেখে টেবিলের নিচে লুকাতে গিয়েও ধরা পড়ে যাই। তার প্রশ্নের মুখে আমি স্বীকার করি যে অভিনয়ের কাজ পাচ্ছি না। তখন সে আমাকে বলে যে সে একটা নতুন প্রোগ্রাম তৈরি করতে যাচ্ছে।

জীবনে দুঃখের চাইতে সুখের মুহূর্তই অনেক বেশি বলে মন্তব্য করেন ফ্রিম্যান। বলেন, আমি কাজ শুরু করেছি ৩০ বছর বয়সের পর থেকে এবং এখনও কাজ করছি। তাই আমি বলব এখনকার দিনগুলো বরঞ্চ আরও সুখের।

স্যামুয়েল এল জ্যাকসনের সাথে গুলিয়ে ফেলা নিয়ে করা এক প্রশ্নের জবাবে ফ্রিম্যান বলেন, ডালাসে থাকাকালীন সময়ে একবার এয়ারপোর্টে ট্রানজিটে ছিলাম আমি। হঠাৎ এক লোক আমার দিকে হেটে এলো। আমি সানগ্লাস আর ক্যাপ পড়া। লোকটা আমার দিকে তাকিয়ে বলে উঠলো, যতই নিজেকে লুকানোর চেষ্টা করুন জ্যাকসন, আমি আপনাকে চিনে ফেলেছি। আমি অস্বীকার করলাম যে আমি জ্যাকসন নই কিন্তু লোকটা বিশ্বাসই করল না।

কানের দুল সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলে ফ্রিম্যান বলেন, যদি আমি কোন এক অপরিচিত স্থানে মারা যাই তবে কানের দুল বিক্রির মাধ্যমে আমার কফিন যেন কেনা যায় একারণেই দুলগুলো পড়া।  


Saturday, March 5, 2016

আল পাচিনো ইন্টারভিউ - দ্য টকস

পার্সোনালি আমার কাছে পৃথিবীর সবচেয়ে ভাল অভিনেতা আল পাচিনো। অতি মানবীয় অভিনয়, লাইফস্টাইল, জীবনবোধ ইত্যাদির জন্য আল পাচিনো শুধু একটা নাম নয়, এটা একটা আইকন, একটা বিশ্বাস।

বরাবরের মত ফেসবুক ঘাটাঘাটি করতে করতে পেয়ে গেলাম এই মানুষটির একটা ইন্টারভিউ। আজকের পোস্ট সেটা নিয়েই...

পুরো নাম আলফ্রেডো জেমস পাচিনো। আমেরিকার নিউইয়র্কে জন্মগ্রহণ করেন ১৯৪০ সালের ২৫ এপ্রিল।

নিজের এত অর্জন সামলে কিভাবে দিনযাপন করেন, এমন প্রশ্নের জবাবে পাচিনো বলেন, আমি নিজেও জানি না। আসলে জীবনকে যখন আপনি আপনার মত করে উপভোগ করতে চাইবেন, তখন অর্জনের দিকে খেয়াল হয়ত রাখবেন, তবে কম। এটা আমার অভিমত, আপনার সাথে নাও মিলতে পারে। আমি শুধু আমার নিজের কাজটা করে যাচ্ছি। বাকিটা জানি না...

নতুন কিছু করার চেষ্টার ব্যাপারে করা এক প্রশ্নের উত্তরে পাচিনো বলেন, একজন শিল্পীর কাছে সবচেয়ে অবাক করা শব্দ হচ্ছে রিটায়ারমেন্ট। আমি এসবের ধারে কাছেও নেই। যেটা ভাল লাগে, সেটার প্রতি আমার এক ধরণের অনুভূতি কাজ করে। অনেকটা শেক্সপিয়ারের প্রাকৃতিক আয়নার মত।
ক্রিস্টো বলেছিলেন শিল্পীরা রিটায়ার করে না, তাদের শুধু মৃত্যু হয়, এ প্রসঙ্গে পাচিনো বলেন, তবুও কিন্তু শিল্পীদের রিটায়ারমেন্ট হয়েছে। যেমন ধরুন ফিলিপ রথের কথা, লেখালেখি ছেড়ে দেয়ার পর উনি আজ অনেক সুখী। অনেকটা যা খুশি তা করছেন। পজিটিভ অর্থে অবশ্যই। এখানে স্বাধীনতাটা অনেক বড় একটা ব্যাপার।

ডিরেক্টরদের তার প্রতি আকর্ষণ সম্পর্কে পাচিনো বলেন, প্রথম গডফাদার করার আগে কেউ আমাকে চাইত না। কেউ না। শুধু ফ্রান্সিস চাইত। আমি বুঝতাম না কেন সে আমাকে চাইত। যেখানে কেউ আমাকে চেনে না, জানে না, সেখানে ডিরেক্টর আমাকে চাচ্ছে... এটা দেখে আমারও আগ্রহ জন্মায়।

নিজের সামর্থ্যের বাইরে গিয়ে অভিনয় করার চেষ্টায় ব্যর্থ হওয়া কোন মুভির ব্যাপারে জানতে চাইলে পাচিনো বলেন, ব্যাপারটাকে ঠিক এভাবে না দেখে আমি দেখি ভুল হিসেবে। ভুল কোন একটা মুভি বাছাই থেকে শুরু করে সেখানে অভিনয় করার চেষ্টাও ভুলেরই অংশ। সেদিক থেকে দেখতে গেলে স্টার ওয়ারস আমার জীবনের একটা বড় ভুল।  

Thursday, March 3, 2016

ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান - ডন অভ জাস্টিস মুভি ফ্যাক্টস

ডিরেক্টর
জ্যাক স্নাইডার ধারাটা শুরু করেছিলেন ২০১৩ সালে ম্যান অভ স্টিলের মধ্য দিয়ে। এবং এবারের ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যানের পর জাস্টিস লীগও ডিরেক্ট করার কথা রয়েছে তার।
রাইটার
ক্রিস টেরিও। বেন এফ্লেকের মুভি আর্গওতে স্ক্রিনরাইটার হিসেবে কাজ করেছিলেন। কিন্তু এফ্লেকের আগেই ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যান মুভির সাথে যুক্ত হয়েছেন। কমিক বুক স্টোরি অথবা কমিক মুভির সাথে এর আগে কখনই সংশ্লিষ্টতা ছিল না টেরিওর। আরেক রাইটার ডেভিড এস গোয়ের অবশ্য কমিক বুক মুভির সাথে আগে থেকেই জড়িত ছিলেন।
স্টোরি
আসলে আমেরিকার জন্য কেমন সুপারহিরো দরকার? সারা দেশ যখন এই বিতর্কে মত্ত তখন গোথাম সিটির অলিখিত নিয়ন্ত্রক ব্যাটম্যান মুখোমুখি সুপারম্যানের। দুজনের মধ্যকার ব্যাপারটা শুরুর আগেই পটভূমিতে হাজির সুপারভিলেন ডুমসডে। আর এই নতুন বিপদ সামলানোর দায়িত্ব পড়ে ব্যাটম্যান, সুপারম্যান ও ওয়ান্ডার ওম্যানের ওপর।
রিলিজ
২৫ মার্চ ২০১৬। ব্যাটম্যান উপস্থিতির আরেক মুভি সুইসাইড স্কোয়াড রিলিজ পাবে ৫ অগাস্ট। ক্যাপ্টেন আমেরিকা – সিভিল ওয়ারের সাথে ব্যাটম্যান ভার্সেস সুপারম্যানের রিলিজ ডেট আগে ঘোষণা করা হয়েছিল ৬ মে। কিন্তু ওয়ারনারস ডেটটাকে এগিয়ে নিয়ে এসেছে।
চরিত্র
বেন এফ্লেক – ব্যাটম্যান/ব্রুস ওয়েন
হেনরি কাভিল – সুপারমান/ক্লারক কেন্ট
গাল গাদত – ডায়ানা প্রিন্স/ওয়ান্ডার ওমেন
জেসি আইজেনবার্গ – লেক্স লুথর
জেরেমি আইরনস – আলফ্রেড পেনিঅর্থ
হলি হান্টার – সিনেটর ফিঞ্চ
ফিল্মিং লোকেশন
ডিরেক্টর অভ ফটোগ্রাফি ল্যারি ফং। ২০১৩ সালের অক্টোবরে পূর্ব লস এঞ্জেলেসে প্রাথমিক ফিল্মিং শুরু হয়। পরে মে মাসের দিকে শিকাগো, ইয়র্কভিল, ডেট্রয়েট, নিউ মেক্সিকোতে শুটিং হয়। লোকেশনের তালিকায় মরক্কোর নাম থাকলেও ইবোলার প্রাদুর্ভাবে শেষপর্যন্ত বাদ পড়ে।
এবং “আর রেটিং”-এ ডেডপুলের সাফল্যের পর এই মুভিও “আর রেটিং” করার চিন্তা ভাবনা করা হচ্ছে বলে কিছুদিন আগে জানানো হয়েছিল।

Tuesday, March 1, 2016

লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিয় ইন্টারভিউ

বর্তমান দুনিয়ার সবচেয়ে আলোচিত নাম লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিয়। অস্কার পেয়ে তিনি যতটুকু না সম্মানিত হয়েছেন, আমার তো মনে হয় একাডেমি তাকে অস্কার দিয়ে আরও বেশি সম্মানিত হয়েছে।

ফেসবুক ঘাটাঘাটি করতে করতে পেয়ে গেলাম বেশ আগে দেয়া তার এক ইন্টারভিউ। সেই ইন্টারভিউয়েরই চুম্বকাংশ নিয়ে আজকের পোস্ট। 

রোম্যান্টিক কমেডি মুভিতে অভিনয়ের ব্যাপারে করা এক প্রশ্নের জবাবে লিও বলেন, আমি রোম্যান্টিক কমেডি মুভিতে অভিনয় করতে সবসময় আগ্রহী। কিন্তু তাই বলে যে আমাকে একই জনরায় কাজ করে যেতে হবে এমনও তো কথা নেই। কোন স্ক্রিপ্ট পছন্দ হলে তা পড়ার পর সাধারণত আমি বলেই দেই যে আমি এই গল্পের আবেগের সাথে নিজেকে জড়িয়ে ফেলেছি। কি কালচার অথবা কি ইতিহাস, আমার কাছে গৌণ বিষয়।

প্রতিটা মুভিতে নিজের কাজের মধ্য দিয়ে নিজেকেই একরকম চ্যালেঞ্জ ছুঁড়ে দেয়ার ব্যাপারে এক প্রশ্নের জবাবে লিও বলেন, এটা আসলে চরিত্রের ওপর নির্ভরশীল। চরিত্রের জন্য ভাল উপাদান খুঁজে বের করাটা অনেকটা যুদ্ধের মত। আর ভাল উপাদানের ওপর সবারই চোখ থাকে। বছরের পর বছর ধরে এই উন্নয়ন সাধিত হয়। তবে গল্পের ভেতর কোন ফাঁকফোকর থাকলে মুভি ফ্লপ করবে এটা নিশ্চিত।

বিশ্বসেরা সব ডিরেক্টরদের সাথে কাজ করা নিয়ে লিও বলেন, এখনও এমন অনেক ডিরেক্টর রয়েছেন যাদের সাথে কাজ করতে আগ্রহী আমি। পল থমাস এন্ডারসন, অ্যাং লি, ইনারিতুর মত ডিরেক্টররা আমার পছন্দের তালিকায় থাকবেন সবসময়। নোলান, স্পিলবার্গ, ইস্টউড, মেন্ডেস, বয়েল, ক্যামেরন এরাও থাকবেন আমার তালিকায়।


মুভি জগত ছেড়ে অন্যকিছু করার কথা ভেবেছেন কিনা জানতে চাইলে লিও বলেন, একদিন চেষ্টা করেছিলাম। কিন্তু মুভি আমার ভালোবাসা, প্রেম। ছোটবেলায় দেখা স্বপ্নের মত করেই কিন্তু আমরা আমাদের জীবনটাকে গড়ে তোলার চেষ্টা করি। সে মোতাবেক আমার স্বপ্ন ছিল অভিনয়। এবং এজন্য বাবা-মাকে পর্যন্ত আমি জোর করেছি।    

Monday, February 29, 2016

অস্কার ২০১৬ কিছু সারপ্রাইজ

অস্কার ২০১৬। আমার মতো যারা লিও ফ্যান, তাদের জন্য স্মরণীয় একটা অস্কার অনুষ্ঠান। তবে এই আনন্দ, হাসি, উপভোগের মুহূর্তের পাশাপাশি ছিল বেশ কিছু সারপ্রাইজও।

যেমন ধরুন, ম্যাড ম্যাক্স ফিউরি রোডের কথা। ৬টি ক্যাটাগরিতে অস্কার জেতা এই মুভিটির ব্যাপারে ইউএস ম্যাগাজিন কেন যে বিস্ময় প্রকাশ করল, তা আমার বোধগম্য নয়।

বেস্ট সাপোর্টিং অ্যাক্টর ক্যাটাগরিতে অস্কার জেতা ব্রিজ অভ স্পাইস স্টার মার্ক রাইলান্সের জায়গায় ক্রিড স্টার সিল্ভেস্টার স্ট্যালোনকে অনেকে হয়ত ভেবেছিলেন। অবশ্য গোল্ডেন গ্লোব পাওয়ার পর তাকে নিয়ে এরকমটা ভাবা খুবই স্বাভাবিক। ৬৯ বছর বয়সী এই অ্যাকশন গ্রেটের জন্য এটা হতে পারত প্রথম অস্কার। ১৯৭৭ সালে তিনি অস্কার নমিনেশন পেয়েছিলেন।

ইনারিতু অস্কার পেলেও ১২টি নমিনেশন পাওয়া তার মুভি দ্য রেভেন্যান্ট অবশ্য বেস্ট মুভি হতে পারেনি। হেরে গিয়েছে স্পটলাইটের কাছে।

স্টার ওয়ারস – দ্য ফোর্স অ্যাওয়েকেন্স ৫টি ক্যাটাগরিতে নমিনেশন পেলেও জিততে পারেনি একটিও। এমনকি বেস্ট ভিজুয়াল ইফেক্টস ক্যাটাগরিতেও হেরে গিয়েছে এক্সমেশিনার কাছে।



Thursday, February 25, 2016

টম হার্ডির নতুন টিভি সিরিজ ট্যাবু

কয়েক সপ্তাহ আগে টম হার্ডিকে একটা রো বোটে প্রায় নগ্ন অবস্থায় দেখা গিয়েছিলো। এবং সব্বাই যেটা ভেবেছিলেন যে হার্ডি বোধকরি অবসর কাটাচ্ছেন কোন এক ভাবে।
আসলে সেটা ছিল হার্ডির নতুন ৮ পর্বের মিনি সিরিজ ট্যাবুর একটি দৃশ্য যেটা ২০১৭ সালে বিবিসি ওয়ান ও এফএক্স চ্যানেলে রিলিজ পাবে।
১৮১৪ সালের পটভূমিতে তৈরি এই সিরিজে গল্প রচিত হয়েছে হার্ডি ও তার বাবাকে নিয়ে। বাবা জেমস কেজিয়াহ ডেলানিকে মৃতপ্রায় অবস্থায় আফ্রিকা থেকে লন্ডনে বাড়িতে নিয়ে আসা হয়। এমন অবস্থায় হার্ডি বাবার শিপিং সাম্রাজ্যের হাল ধরেন এবং জীবনকে নতুন করে সাজানোর চেষ্টা শুরু করেন। কাহিনী শুরু এখান থেকেই...
আর্থার কোনান ডয়েলের গল্পের মত পুরনো রহস্যময় ডাইনিং রুম, উঁচু হ্যাট, স্পিয়ার, ম্লান মোমবাতি, বাড়ির ডানজন, নির্যাতন, রক্ত... সবমিলিয়ে জমজমাট কিছু একটার হাতছানি...

অপেক্ষায় থাকতে হবে এবার।    

দ্য রিটার্ন অভ জ্যান্ডার কেজ রিলিজ ডেট ঘোষণা

প্যারামাউন্ট শেষ পর্যন্ত ভিন ডিজেলের অ্যাকশন প্যাক সিরিজ ট্রিপল এক্সের নতুন মুভি দ্য রিটার্ন অভ জ্যান্ডার কেজের রিলিজ ডেট ঘোষণা করেছে ২০ জানুয়ারি ২০১৭।
মূলত টরোন্টোতে শুটিং হওয়া ও ডোমিনিকান রিপাবলিকে কিছু দৃশ্য ধারণের মাধ্যমে তৈরি হচ্ছে রেভলুশন স্টুডিওসের এই মুভিটি।
রব কোহেনের ডিরেকশনে এই সিরিজের প্রথম মুভিতে ২০০২ সালে অভিনয় করেছিলেন ভিন ডিজেল। সারা দুনিয়ায় ২৭৭ মিলিয়ন ইউএস ডলারের ব্যবসা করেছিল মুভিটি।
২০০৫ সালে সিরিজের পরের মুভিটায় ডিজেলের জায়গায় অভিনয়ে আসেন আইস কিউব। এবং সেই মুভিটি ব্যবসা করেছিল ৭১ মিলিয়ন ইউএস ডলারের।
২০০০ সালে জো রথের প্রতিষ্ঠা করা রেভলুশন স্টুডিওস এ দুটি মুভি তৈরি করেছিল। ২০১৪ সালে ফোরট্রেস ইনভেস্টমেন্ট গ্রুপের অন্তর্ভুক্ত হয় এই কোম্পানি।
ইন্ডিয়ান সুন্দরী দীপিকা পাড়ুকোণ এবারে অভিনয় করছেন ডিজেলের বিপরীতে প্রধান নারী চরিত্রে।
ইউরোপা কর্পের দ্য লেক এবং ইউনিভার্সালের হরর মুভি স্প্লিটের বিপরীতে মুক্তি পেতে যাচ্ছে দ্য রিটার্ন অভ জ্যান্ডার কেজ।

Wednesday, February 24, 2016

অস্কার ২০১৬

মুভি জগতের সবচেয়ে মর্যাদাপূর্ণ পুরস্কার অস্কারের বাকি আছে আর মাত্র কয়েকদিন। তাই বিভিন্ন ক্ষেত্রেই যে যার যার মত করে নিজেদের অনুমান প্রকাশ করছেন যে কে কোন ক্যাটাগরিতে পেতে পারেন অস্কার। আর তারই ধারাবাহিকতায় আজকের এই পোস্টের অবতারণা...

পূর্ববর্তী পুরস্কারগুলোতে সিল্ভেস্টার স্ট্যালোন (ক্রিড) এবং অ্যালিসিয়া ভিকান্দারের (দ্য ড্যানিশ গার্ল) আধিপত্য ছিল অনেক বেশি। কিন্তু স্ট্যালোন বাফটা  নমিনেটেড ছিলেন না। অন্যদিকে ভিকান্দার বাফটা এবং গোল্ডেন গ্লোবে সেরা নারী চরিত্রে নমিনেটেড ছিলেন। এক্ষেত্রে বাফটা উইনার মার্ক রাইলান্স (ব্রিজ অভ স্পাইস) স্ট্যালোনের মাথাব্যথা হয়ে উঠতে পারেন।

তবে সেরা পুরুষ চরিত্রের জন্য প্রতিযোগিতায় আবার বেশ খোলামেলা অবস্থা দেখা যাচ্ছে। লিওনার্দো ডি ক্যাপ্রিয় (দ্য রেভেন্যান্ট) এবং ব্রি লারসন (রুম) এবার মোটামুটি পুরো সিজনটাই নিজেদের করে নিয়েছেন। বেস্ট স্ক্রিনপ্লের ক্ষেত্রে ব্যাপারটা আরও মজার। রাইটার্স গিল্ড অলরেডি দ্য বিগ শর্ট ও স্পটলাইটের দিকে ফোকাস করে রেখেছে। দেখা যাক কি হয়। এদিকে দ্য রেভেন্যান্টের জন্য ইমানুয়েল লুবেজকি ৩য় অস্কারের সুবাতাস অনুভব করছেন।

এনিমেশন ক্যাটাগরিতে ইনসাইড আউটকে বলা যায় বাজির ঘোড়া। কিন্তু কম্পোজার এনিও মরিকনকে দ্য হেটফুল এইটের জন্য অস্কার দেয়ার সুযোগটা একাডেমি মিস করতে চাইবে কিনা কে জানে। এবার গ্র্যামি ও সুপার বল কাঁপানোর পর লেডি গাগা আসছেন দ্য হান্টিং গ্রাউন্ডসের টিল ইট হ্যাপেন্স টু ইউ নিয়ে। তবে এখানেও স্পেক্টারের রাইটিংস অন দ্য ওয়ালের বাজি মেরে দেয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।

ডকুমেন্টারি ফিচার ক্যাটাগরিতে অ্যামি সহ হোয়াট হ্যাপেন্ড মিস সিমন, উইন্টার অন ফায়ারঃ ইউক্রেইনস ফাইট ফর ফ্রিডম, ফ্রান্সের মাস্টাং, হাঙ্গেরির সন অভ সাউল আছে।

ম্যাড ম্যাক্স ফিউরি রোড ও দ্য রেভেন্যান্টের মধ্যে রীতিমত যুদ্ধ চলছে। তবে বাফটা দেখার পর বলা যেতে পারে যে ম্যাড ম্যাক্স বাজি মেরে দেবে ডিজাইন ক্যাটাগরিতে, ধরুন কস্টিউম, মেকআপ, প্রোডাকশন ডিজাইন ইত্যাদি। অন্যদিকে ভিজুয়াল এফেক্টসের দাও মেরে দিতে পারে দ্য রেভেন্যান্ট ব্লা ব্লা ব্লা... তবে সবই বোঝা যাবে আসল সময়ে।

যদি মাইলস্টোনের কথা জিজ্ঞেস করেন তবে বলা যায় আলেহান্দ্র জি ইনারিতুর কথা। কারন জোসেফ এল ম্যানকিউইকজের পরে প্রায় ৬০ বছরেরও বেশি সময় পর ব্যাক টু ব্যাক অস্কার জেতার দৌড়ে আছেন তিনি ডিরেক্টর হিসেবে। তবে ব্যাপারটা নির্ভর করে ভোটারদের অপরসেন্টিমেন্টাল চয়েস হিসেবে থাকতে পারেন জর্জ মিলার।


তাহলে বেস্ট পিকচারের কি হবে? এখানে দ্য রেভেন্যান্টের বাজি মেরে দেয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি। গোল্ডেন গ্লোব ও বাফটায়  পুরস্কার জয় করা এই মুভিকে অনেকেই রাখছেন তাদের লিস্টের একদম শীর্ষে। আর ইনারিতু ডিরেক্টর হিসেবে পুরস্কার জিতে গেলে তিনি হয়ে পড়বেন ইতিহাসের অংশ।   

Tuesday, February 23, 2016

দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী ফ্রিগেট ২০১৬

পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ১০টি ফ্রিগেট
যেকোনো দেশের নৌবাহিনীর অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ অংশ হচ্ছে ফ্রিগেট। এ ধরণের জাহাজগুলোর এত গ্রহণযোগ্যতার বড় কারণ হিসেবে বলা যায় এদের সক্ষমতা, সংখ্যা, ব্যয় ইত্যাদিকে। বড় ডেস্ট্রয়ার বা ক্রুজ জাহাজগুলোর পাশাপাশি বিভিন্ন দেশ একাধিক ফ্রিগেট তাদের নৌবহরে রাখে সবসময়। সাধারণত ৩ থেকে ৭ হাজার টনি জাহাজগুলোকে বলা হয় ফ্রিগেট। তবে একাধিক ফ্রিগেট বহরে রাখা ও একই ডিজাইন ও শক্তিমত্তার দরুন এ সমস্ত ফ্রিগেটগুলোকে একত্রে “ফ্রিগেট ক্লাস” হিসেবে আখ্যায়িত করা হয়। দেশভেদে ফ্রিগেট ক্লাস আলাদা আলাদা।
একবিংশ শতাব্দীতে ডিজাইন এবং ব্যবহৃত হওয়া ফ্রিগেটগুলোর ওপর ভিত্তি করে এই র‍্যাঙ্কিংটা করা হয়েছে...
১। অ্যাডমিরাল গোরশকভ ক্লাস (রাশিয়া)
রাশান মেড সবচেয়ে সেরা উইপন ও সেন্সর নিয়ে রাশান নেভি ফ্লিটের অন্যতম সদস্য এই অ্যাডমিরাল গোরশকভ ক্লাস ফ্রিগেট রয়েছে শীর্ষস্থানে। অধিকাংশ ফ্রিগেটের শক্তির তারতম্য ঘটে সাধারণত সেকেন্ডারি রাডারে অথবা স্থলভাগে আক্রমণের দিকে। সেদিক থেকে দেখতে গেলে এই ক্লাসের ফ্রিগেটকে বলা যায় উইপন ও সেন্সর ব্যালেন্সের যথার্থ উদাহরণ। ফুললি লোডেড অবস্থায় ৫ হাজার টনি এই জাহাজগুলো রাশিয়ার হাতে রয়েছে ১টি। আরও ৩টি জাহাজ তৈরি করা হচ্ছে। সবমিলিয়ে এরকম ১৫টি জাহাজ তৈরির পরিকল্পনা রয়েছে রাশিয়ার।
২। সাখসেন ক্লাস (জার্মানি)
জার্মান নেভির জন্য তৈরি এই ফ্রিগেট ক্লাসকে বলা হয় লুটজেন্স ক্লাস ফ্রিগেটের উন্নততর রূপ। ২টি হেলিকপ্টার হ্যাঙ্গার সমৃদ্ধ এই ক্লাসের ফ্রিগেটগুলো মূলত তৈরি করা হয়েছে আকাশ পথের যুদ্ধের জন্য। ৫৮০০ টনি এই জাহাজগুলোর মধ্যে আপাতত সার্ভিসে আছে ৩টি জাহাজ।
৩। ডি জেভেন প্রোভিন্সিয়েন ক্লাস (নেদারল্যান্ডস)
এয়ার ডিফেন্স ফ্রিগেট ক্লাসের মধ্যে একে বলা যায় সবচেয়ে আধুনিক। ৬ হাজার টনি এই জাহাজগুলোর রয়েছে শক্তিশালী রাডার ও মিসাইল সিস্টেম যা এদেরকে মূলত টহল, নজরদারির কাজে দিয়েছে অসামান্য অবস্থান। অ্যান্টি ব্যালিস্টিক মিসাইল সক্ষমতার জন্য ন্যাটোর মহড়াগুলোতে এদের গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রয়েছে। বলা হয় যে প্রায় ৫০০ কিমি দূর থেকেও ব্যালিস্টিক মিসাইল ট্র্যাক ও ডিটেক্ট করার ক্ষমতা আছে এদের রাডারের।
৪। আইভার হুইটফেল্ট ক্লাস (ডেনমার্ক)
স্বল্পব্যয়ের সবচেয়ে আধুনিক ফ্রিগেটগুলোর মধ্যে একটি হচ্ছে এই ক্লাসের ফ্রিগেট। খরচ কমানোর সবচেয়ে বড় কারণ হিসেবে এ ক্ষেত্রে বলা যায় যে, ডেনিশ নেভি আসলে তাদের নিজেদেরই কিছু জাহাজকে মডিফাই করে ফ্রিগেটে রূপ দিয়েছে। সাধারণ আকার থেকে কিঞ্চিৎ বড় সাইজের ৬৬০০ টনি  এই ফ্রিগেটগুলো অস্ত্র ও গোলাবারুদে মোটামুটি ভারসাম্য বজায় রাখতে সক্ষম।
৫। আলভারো ডি বাজান ক্লাস (স্পেন)
আকাশ যুদ্ধে দুনিয়ার সবচেয়ে শক্তিশালী ফ্রিগেট ক্লাস হচ্ছে এরা। ৫টি জাহাজের সমন্বয়ে গঠিত এই ফ্রিগেট ক্লাসকে স্প্যানিশ নেভির অগ্রবর্তী দল হিসেবে দেখা হয়। অস্ট্রেলিয়ান ফ্রিগেটগুলোর মত ডিজাইন করা ৬৩০০ টনি এই জাহাজগুলোর কমব্যাট সিস্টেম ও রাডার বিশ্বমানের।
পৃথিবীর সবচেয়ে শক্তিশালী ১০টি ফ্রিগেট (শেষ পর্ব)
৬। অ্যাকুয়ান্টাইন ক্লাস (ফ্রান্স)
জল, স্থল ও আকাশে যে কোন ক্ষেত্রে ১ হাজার কিমি দূর পর্যন্ত রেঞ্জে আক্রমণ চালানোর সক্ষমতার জন্য এই ফ্রিগেট ক্লাসকে বলা হয় দুনিয়ার সবচেয়ে ব্যালেন্সড ফ্রিগেট ক্লাস। ফ্রেঞ্চ নেভির মেরুদণ্ড হিসেবে বিবেচিত এই ক্লাসের অন্তত ১১টি ফ্রিগেট ২০২০ সালের আগেই সার্ভিসে নিয়ে আসার পরিকল্পনা রয়েছে ফ্রান্সের। এদের মধ্যে ৯টি হবে সব ক্ষেত্রে ব্যালেন্সড। আর বাকি দুটি হবে শুধুমাত্র আকাশপথে আক্রমণের জন্য প্রস্তুতকৃত। টোটাল ক্রু থাকবে মাত্র ১২০ জন।
৭। কার্লো বারগামিনি ক্লাস (ইটালি)
ফ্রাঙ্কো ইটালিয়ান ফ্রেম প্রোগ্রামের আওতায় তৈরি এই ক্লাসের ফ্রিগেটগুলোকে বলা হয় দুনিয়ার সবচেয়ে এডভান্সড ফ্রিগেটগুলোর মধ্যে অন্যতম। সাধারণ ব্যবহার ও সাবমেরিন মিশনের জন্য বিশেষভাবে তৈরি দুটি ক্যাটাগরিতে তৈরি হয় এই ফ্রিগেটগুলো। বহন করতে পারেন টোটাল প্রায় ৬৯০০ টন।
৮। ফ্রিটসজফ নান্সেন ক্লাস (নরওয়ে)
অত্যন্ত আধুনিক অস্ত্র সমৃদ্ধ হওয়া সত্ত্বেও এই ক্লাসের ফ্রিগেটগুলো নিয়ে সবচেয়ে কম আলোচনা হয়। ৫৩০০ টনি এই ফ্রিগেটগুলোকে বলা যায় রয়্যাল নরয়েজিয়ান নেভির মূল।
৯। শিভালিক ক্লাস (ইন্ডিয়া)
সাবমেরিন বিধ্বংসী যুদ্ধে বিশেষায়িত এই ফ্রিগেটগুলোকে বলা চলে যেকোনো নৌযুদ্ধের জন্য সদা প্রস্তুত। বহন ক্ষমতা ৬২০০ টন।
১০। টাইপ ৫৪ এ (চীন)
মিতব্যয়ী মাত্র ৪২০০ টন বহন ক্ষমতার এই ফ্রিগেটগুলো ইদানীং চায়নিজ নেভির প্রয়োজন মেটাচ্ছে বহুলাংশেই। মূলত রাশান প্রযুক্তি ও চীনের একটু পরিবর্তনের একটা রূপ বলা যায় এগুলোকে। এখন পর্যন্ত ২৪টি জাহাজ সার্ভিসে রয়েছে।


  

এডওয়ার্ড নরটন ইন্টারভিউ

পার্সোনালি পছন্দের অভিনেতাদের মধ্যে এডওয়ার্ড নরটনকে আমি রাখব একদম ওপরের কাতারে। নিজের কাজ দিয়ে অলরেডি জাত চিনিয়ে দিয়েছেন এই অভিনেতা। সামনে অবশ্য আরও বহু পথ বাকি... ফেসবুকিং করতে করতে এই ইন্টারভিউটা দেখতে পেলাম। ব্যস। সাথে সাথেই অনুবাদ...
কখন আপনি বুঝতে পারলেন যে আপনি একজন ভাল অভিনেতা?
দ্য টকসকে দেয়া এক ইন্টারভিউতে এ প্রশ্নের জবাবে এডওয়ার্ড নরটন বলেন, মূলত ছোটবেলা থেকেই এ ব্যাপারটা বুঝতে শুরু করি আমি। নিজের সহজাত এ ক্ষমতা দেখে নিজেই অবাক হয়ে যাই একসময়। মাঝে বছর কয়েক থিয়েটারে কাজ করার সময় আমি ভাবতাম এটা ভাল এবং সমৃদ্ধ। কারণ এতে ইমপ্যাক্ট ফেলতে পারার একটা সুযোগ কাজ করে।
নিজের সংগ্রাম নিয়ে করা আরেক প্রশ্নের জবাবে নরটন বলেন, নতুন কোন কিছু শুরু করার পর আমি ঠাণ্ডা মাথায় ভাবার চেষ্টা করতাম যে কিভাবে আরও ভাল করা যায়। তারপরও কখনও কখনও নিজের কাজ দেখে নিজেকেই প্রশ্ন করতাম আমি যে এটা কি করছি বা করেছি।
তবে শেষপর্যন্ত অভিনয় যে নরটনকে সবচেয়ে বেশি আনন্দ দেয় সেটা অকপটেই স্বীকার করলেন তিনি। বললেন, অভিনয়টাকে বলতে পারেন এক ধরণের ব্যালেন্স। আপনার মস্তিষ্কের সেরিব্রাল পার্ট ও চারপাশের এত সব ঝুটঝামেলা থেকে নিজের সৃজনশীলতা বের করে আনার মধ্যকার ব্যালেন্স করাকেই বলতে পারেন অভিনয়। জীবনের অভিজ্ঞতাগুলোকে আপনি কিভাবে এ ক্ষেত্রে কাজে লাগাবেন সেটা একান্তই আপনার নিজের ওপর নির্ভর করে।
এখন পর্যন্ত নিজের তরুণ লুক নিয়ে করা প্রশ্নের জবাবে নরটন বলেন, আমি আসলে সেই সব দুর্লভ অভিনেতাদের মধ্যে একজন যে কিনা তার বয়স নিয়ে গোপনীয়তা বজায় রাখতে পছন্দ করে।
অভিনয়ের প্রস্তুতি নিয়ে নরটন বলেন, প্রস্তুতি খুবই গুরুত্বপূর্ণ। আমার প্রস্তুতি ছড়িয়ে থাকে কস্টিউম থেকে শুরু করে মিউজিক এবং ডাবিং পর্যন্ত। তবে কোনটার গুরুত্ব কেমন, সেটা নির্ভর করে।