মূলত তার রেসলিংয়ের
ফ্যান ছিলাম। এমনই ফ্যান ছিলাম যে তার মুভস, কথাবার্তা, চালচলন, লুক সবকিছু কপি
করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু অতিস্বাভাবিক ভাবেই পারতাম না...
আমার এক বন্ধু
ছোটবেলায় নিজের নামের সাথে তার নামটা যোগ করে দিয়েছিল। ওর রুমের দরজায় লেখা থাকতো-
“দয়া করে জুতা খুলে
প্রবেশ করবেন-
অনুরোধক্রমে মামুন আজাদ (রক)”
এছাড়াও মেহেদি দিয়ে
হাতে নাম লেখা থেকে শুরু করে আরও যত পাগলামি আছে সব করত ও...
এ কথা বলতেই পারি যে
ওর মত “দ্য রক” ফ্যান আজও দেখিনি/পাইনি/শুনিনি।
তো আমাদের ছোটবেলার
সেই সুপারস্টার দ্য রক অবশ্য পরবর্তীতে রেসলিং থেকে হলিউডের রঙিন দুনিয়ায় পা রাখেন
এবং যথেষ্ট সফলতার সাথে এখনও অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন।
তবে টাফ লুকের আড়ালে
আর ১০টা সাধারণ মানুষের মত তারও রয়েছে কোমল একটা মন। যার বহিঃপ্রকাশ আমরা দেখি
বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে...
যেমন এই ইস্টার
সানডেতে এক ক্যান্সারধারী ভক্তের সাথে দেখা হয়ে যায় তার।
কাজ শেষ করে নিজের
পিকআপ ড্রাইভ করতে করতে ফিরছিলেন দ্য রক। হঠাৎ খেয়াল করলেন যে কয়েকটা ছেলে তার
গাড়ির পেছন পেছন দৌড়াচ্ছে আর চিৎকার করছে। তো গাড়ি থামিয়ে ব্যাপারটা কি জানার জন্য
নামতেই ছেলেগুলো এসে জড়িয়ে ধরল তাকে। এই ছেলেগুলোর মাঝে একজন নিক মিলার। যে কিনা
ক্যান্সারে আক্রান্ত...
নিজের হিরোর সাথে
দেখা করার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করছিল নিক। দ্য রকের মাধ্যমে নিক কত
অনুপ্রেরণা পেয়েছে- শুধু এটা বলার জন্যই এই দেখা করা, কথা বলা...
নিকের এই আকুলতা
রকের মন ছুঁয়ে যায়। তাই বিদায় নেয়ার পর ফিরতে ফিরতে দ্য রক লেখেন-
“Let's
always take a moment to count our blessings.. cause there's always something to
be grateful for..”
Hats off
the Rock…

No comments:
Post a Comment