Friday, April 24, 2015

২য় বিশ্বযুদ্ধ ভিত্তিক সেরা ১৩ মুভি

২য় বিশ্বযুদ্ধ। দুনিয়ার বুকে মানব সভ্যতা ধ্বংস করে দেয়ার মত যে কয়েকটা চেষ্টা করা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এটা। ১৯১৮-র পর থেকে একটু একটু জমতে থাকা অবিশ্বাস, হিংসা, ক্ষমতার লড়াইয়ের এক বিস্ফোরণ বলতে পারেন এই বিশ্বযুদ্ধকে। যার বহিঃপ্রকাশে নিদারুণভাবে মরতে হয়েছে পৃথিবীব্যাপী কয়েক মিলিয়ন নিরীহ মানুষকে।

এমনকি এই যুদ্ধের ভয়াবহতা এতটাই নির্মম ছিল যে এখনও অনেক দেশের মানুষকে এর ঘানি বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দেয়া এই যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে অনেক মুভি তৈরি করা হয়েছে। যেগুলোর মধ্য থেকে ১৩টি মুভিকে ওয়ার হিস্ট্রি অনলাইন তাদের সেরা মুভির তালিকায় রেখেছে।

১। ইনগ্লরিয়াস বাস্টার্ডস

বলতে পারেন ক্যামনে কি? এই মুভি হয়ত টু দ্য ফ্যাক্ট নয়। কিন্তু সব মুভিকেই যে টু দ্য ফ্যাক্ট হতে হবে এমন কোন কথাও তো নেই, না? ব্লাড, ভায়োলেন্স, ডার্ক টুইস্টেড হিউমার- যা সাধারণত থাকে টারান্টিনোর মুভিতে। জার্মান লাইনের ঠিক বাইরে ওত পেতে থাকা এক ইহুদি গ্রুপ “বাস্টার্ডস” নিয়ে কাহিনী এগিয়ে গিয়েছে।

২। দ্য পিয়ানিস্ট

একজন পোলিশ ইহুদি পিয়ানিস্ট ও কম্পোজারের সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা মুভি। ২য় বিশ্বযুদ্ধে ঘটে যাওয়া ইহুদি গণহত্যার এক নিদারুণ চিত্র এই মুভিতে দেখা যায়।

৩। দ্য ব্যাটল অভ ব্রিটেন

মূলত ৩টি কারণে ১৯৬৯ সালে রিলিজ পাওয়া মুভিটি এই লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে। প্রথমত, ২য় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে সমস্যাসঙ্কুল ব্যাপারটা নিয়েই মুভিটি তৈরি। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধে সত্যিকারে ব্যাবহার করা বিমানগুলোই এই মুভিতে ব্যাবহার করা হয়েছে। তৃতীয়ত, ডগফাইট।

৪। আ ব্রিজ টু ফার

একই নামের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। বিশ্বযুদ্ধের যবনিকা পতনের ঠিক আগে ঘটা এক ব্যর্থ অপারেশনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। অপারেশন মার্কেট গার্ডেন। পরবর্তীতে বিখ্যাত গেম কল অভ ডিউটি-২ এই মুভির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় এবং গেমের চরিত্র ক্যাপ্টেন প্রাইসও মুভির চরিত্র ক্যাপ্টেন প্রাইসের সরাসরি ছায়া।

৫। দ্য লঙ্গেস্ট ডে

টারান্টিনোর ঠিক উল্টোটা করেছেন কেন আনাকিন। ডি ডেতে আসলে কি ঘটেছিল, তার ওপর ভিত্তি করে বানানো হয় এই মুভি।

৬। টোরা টোরা টোরা

পার্ল হারবার অ্যাটাক নিয়ে তৈরি হওয়া মুভিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অ্যাকুরেট বলা হয় এই মুভিকে। ’৭০-র দিকে আমেরিকান ও জাপানিজ পরিচালকদের সমঝোতায় তৈরি হওয়া এই মুভিতে পার্ল হারবার অ্যাটাকে আমেরিকান ও জাপানিজ দু’পক্ষকেই দেখানো হয়েছে।

৭। স্টালিনগ্রাড

স্টালিনগ্রাডের যুদ্ধ সম্ভবত ২য় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে বড় ইভেন্টগুলোর একটা যেখানে জার্মান আর রাশানরা একে অপরের প্রতিপক্ষ ছিল। জার্মানদের দিক থেকে এই যুদ্ধ- এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা এটা ২য় মুভি। “তোমরাই শ্রেষ্ঠ” গালভরা এই কথার আড়ালে রাশান টেরিটরির বিপদজনক এই শহরে যেসব জার্মান সেনাকে পাঠানো হয়, তাদের কি ভয়ংকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, পরিচালক তাই ফুটিয়ে তুলেছেন।

৮। দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার কুয়াই

যুদ্ধ বন্দীদের দ্বারা নির্মিত বার্মা রেলওয়ে, যা কিনা ডেথ রেলওয়ে নামেও পরিচিত ছিল- এই সত্যিকার গল্প নিয়ে তৈরি মুভি। জাপানিজ ও কোরিয়ানের অত্যাচারে কমপক্ষে ৯০ হাজার বন্দীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে এই সময়ে। সর্বকালের অন্যতম সেরা মুভি বলা হয় একে।

৯। দ্য গ্রেট এসকেপ

অনেকের মতেই কিছুটা ডাম্ব টাইপ এই মুভি তৈরি করা হয় ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত পল ব্রিখিলের এক বইয়ের ভিত্তি করে। বর্তমান পোল্যান্ডের স্টালাগ লুফট ৩ থেকে যুদ্ধবন্দীদের পালিয়ে যাওয়া- ছিল এই মুভির কাহিনী।

১০। সেভিং প্রাইভেট রায়ান

স্টিভেন স্পিলবারগ ও টম হ্যাঙ্কসের মাস্টারপিস। আর কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না।

১১। ডাস বুট

জার্মান মুভি। যুদ্ধের সময় আসলে কেমন ফিলিং কাজ করে তা বোঝাতে এর শুটিং করা হয়েছিল অরিজিনাল জার্মান ইউ বোটের ভেতরে। ইউএসএতেও রিলিজ পায় দ্য বোট নামে।

১২। লেটারস ফ্রম আইও জিমা

জাপানিজ আমেরিকান মুভি। ডিরেকশনে ছিলেন ক্লিন্ট ইস্টউড। জাস্ট সেনা নয়, যুদ্ধ কবলিত সাধারণ মানুষের মতই এখানে জাপানিদের দেখানো হয়েছে। চোখের পানি ধরে রাখা মুশকিল হতে পারে।

১৩। গ্রেভ অভ দ্য ফায়ারফ্লাইস

১৯৮৮ সালে রিলিজ পাওয়া জাপানিজ অ্যানিমেশন মুভি। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত জাপানে টিকে থাকার সংগ্রাম উঠে এসেছে এই মুভিতে।



   

Thursday, April 23, 2015

ফিউরিয়াস ৮ রিলিজ ডেট

ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস ফ্যানদের জন্য সুখবর ! সুখবর !! সুখবর !!!

ফিউরিয়াস ৭-র অতিমানবীয়তা শেষ হবার আগেই ফিউরিয়াস ৮-র রিলিজ ডেট কনফার্ম করলেন ভিন ডিজেল। ২০১৭ সালের ১৪ই এপ্রিল রিলিজ পাবে এই মুভি। বৃহস্পতিবার লাস ভেগাসে ইউনিভার্সালের সিনেমাকন প্যানেলে এ কথা জানান ডিজেল।

ফ্রাঞ্ছাইজের মুভিগুলোর জন্য বিপুল সাড়ার মাত্রা দেখে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ডিজেল উপস্থিত দর্শকদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন,

“আপনাদের আশীর্বাদ আমাদের কাছে অনেক বড়... আপনারা আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেকগুণে বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই তো আমরা আবার সাহস করছি...”  

আর এরই সাথে ২ বছর আগে সিজার প্যালেসের সেই সময়টাও রোমন্থন করতে থাকেন তিনি, যেখানে তার সাথে স্টেজ শেয়ার করেছিলেন সদ্য প্রয়াত বন্ধু পল ওয়াকার।

জীবনটাই কি অদ্ভুত, তাই না? ২ বছর আগে মানুষটা ছিলেন, আজ নেই।

যদিয়ও গত কিছুদিনে বিভিন্ন সোর্স থেকে বলা হচ্ছিল, গুজব ছড়াচ্ছিল যে ইউনিভার্সাল এই মুভি প্রোডাকশন বন্ধ করে দিতে পারে। ফিউরিয়াস ৭-র শুটিং চলাকালে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান পল ওয়াকার। পরবর্তীতে স্টান্টম্যান, স্পেশাল এফেক্টস টেকনিশিয়ানদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমে প্রজেক্টটা শেষ হয়।

নতুন মুভির ঘোষণা দেয়ার ঠিক আগে ফিউরিয়াস ৭ –র চূড়ান্ত মুহূর্ত দেখানো হয়।


উল্লেখ্য ফিউরিয়াস ৭ বিশ্বব্যাপী ১.১৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করে বর্তমানে হায়েস্ট গ্রসিং মুভিস অভ অল টাইম তালিকার ৭ নম্বরে রয়েছে।

Monday, April 20, 2015

কেভিন স্পেসি- পেইনফুল আর্লি লাইফ

“দ্য ইউজুয়াল সাস্পেক্ট” থেকে শুরু করে “আমেরিকান বিউটি”, অথবা হালের জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স অরিজিনাল টিভি সিরিজ “হাউজ অভ কার্ডস”- যেখানকার কথাই বলুন না কেন, কেভিন স্পেসির অতুলনীয়, অতিমানবীয় অভিনয় ক্ষমতার প্রেমে পড়েন নি, এমন মানুষ খুব কমই আছেন।
প্রচণ্ড মেধাবী ও গুণী এই অভিনেতার কাজ সম্পর্কে আমরা বেশ ভালই অবগত।

কিন্তু যেটা জানি না সেটা হচ্ছে তার পূর্ববর্তী জীবনের কিছু গল্প...

কট্টর নাজিপন্থী, শারীরিক ও যৌন আক্রমণকারী বাবা থমাস জিওফ্রে ফওলারের কাছে বড় হয়েছেন স্পেসি। হিটলারকে আইকন মানতেন স্পেসির বাবা এবং দাবী করতেন যে ২য় বিশ্বযুদ্ধে কোন গণহত্যা সংঘটিত হয় নি। ভাই রান্ডাল ফওলার ফক্স নিউজকে দেয়া এক ইন্টারভিউতে দাবী করেন যে বাবা থমাস ফওলার স্পেসিকে একা ফেলে রেখে তাদের ও তাদের এক মহিলা আত্মীয়ার ওপর যৌন নির্যাতন চালাতেন। এবং এই ট্রমা আজও কেভিন স্পেসিকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়।

এইসব কাহিনী কীর্তির জন্য স্পেসি চিরতরে বাবাকে ত্যাগ করেন এবং মায়ের বিবাহ পূর্ববর্তী নাম “স্পেসি”-কে নিজের নামের সাথে জুড়ে দেন।

তীব্র যন্ত্রণাদায়ক অতীত সম্পর্কে কেভিন স্পেসি বরাবরই অনেক বেশি চাপা স্বভাবের। পারতপক্ষে বিভিন্ন ইন্টারভিউতেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে করা প্রশ্নগুলোকে সযত্নে এড়িয়ে যান।

লেখাটা শেষ করব তারই বলা একটি কথা দিয়ে-

"If you're lucky enough to do well, it's your responsibility to send the elevator back down."

    

Thursday, April 9, 2015

১২ ফ্যাক্টস অ্যাবাউট পল ওয়াকার

 ‘৭০-র দশকে একটা প্যাম্পারসের অ্যাডে অভিনয় করার মধ্য দিয়ে ছোট পর্দার ক্যারিয়ার শুরু করেন পল। তখন তার রীতিমত হামাগুড়ি দেয়ার বয়স।
-      বড় পর্দায় কাজ শুরু আগে ১৯৮৫-র দিকে ১১ বছর বয়সেই “হাইওয়ে টু হেভেন”, “টাচড বাই অ্যান অ্যাঞ্জেল” ইত্যাদি টিভি সিরিজে কাজ করেন।
-      প্রথম মুভি “মনস্টার ইন দ্য ক্লজেট”। মুক্তি পায় ১৯৮৬ সালে।
-      ক্যালিফোর্নিয়া কমিউনিটি কলেজ থেকে মেরিন বায়োলজিতে মেজর করেছিলেন পল।
-      মেয়ে মিডো রেইন ওয়াকারের চোখে পল একজন নিবেদিত প্রাণ বাবা।
-      “ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস” সহ অভিনেতা টাইগ্রিজ গিবসনের ঘনিষ্ঠ বন্ধু পল ভিন ডিজেলের চোখে ছিলেন জাস্ট লাইক আ ব্রাদার টাইপ। ডিজেল পলকে পাবলো বলে ডাকতেন।
-      পলের বাবা ছিলেন বক্সিংয়ে ২ বারের গোল্ডেন গ্লাভস চ্যাম্পিয়ন।
-      ব্রাজিলিয়ান জিজুতসুতে পল ছিলেন একজন ব্রাউন বেল্ট হোল্ডার।
-      গাড়ির প্রতি পলের এমন আসক্তি ছিল যে রেডলাইন টাইম অ্যাটাক সিরিজে বিএমডব্লিউ এম৩ ই৯২ নিয়ে নিয়মিত রেস খেলতেন।
-      বিশাল হৃদয়ের মানুষ হিসেবেই বেশি পরিচিত ছিলেন পল।
-      সহ অভিনেতা, ভাই, বন্ধু পলের নামানুসারে ভিন ডিজেল নিজের মেয়ের নাম রেখেছেন পলিন।

-      ভয়ানক সেই দুর্ঘটনায় আক্রান্ত পলের আরেক সঙ্গী রজার রডাস পর্দার অন্তরালেই চলে গেছেন। 

Wednesday, April 8, 2015

পল ওয়াকারকে নিয়ে উইজ খলিফার গান

নিঃসন্দেহে বর্তমানে সবচেয়ে আলোচিত মুভি হচ্ছে পল ওয়াকার অভিনীত ফিউরিয়াস ৭। সারা বিশ্বেই দাপটের সাথে চলছে “ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস” ফ্রাঞ্ছাইজের এই লেটেস্ট কিস্তি। তবে “হাই অকটেন থ্রিল রাইড” খেতাব পাওয়া এই মুভির সমস্ত আবেগ গাড়ি দুর্ঘটনায় প্রাণ হারানো পল ওয়াকারকে ঘিরে...

ভিন ডিজেল নিজেও প্রয়াত বন্ধুর স্মরণে অনেক কিছুই করে যাচ্ছেন। যার ধারাবাহিকতায় এবার রিলিজ পেল উইজ খলিফার নতুন মিউজিক ভিডিও “সি ইউ এগেন”।

গত ৬ এপ্রিল এই ভিডিও প্রকাশের পর ভিন ডিজেল নিজের ফেসবুকে লেখেন,

“Pablo, this weekend you turned the world into a family... Thanks for the love... “

প্রথম ২ ঘণ্টাতেই ৭ মিলিয়ন হিট পাওয়া এই গান ফিউরিয়াস ৭-এ ব্যাবহার করা হয়েছে এবং “ফাস্ট অ্যান্ড ফিউরিয়াস” ফ্রাঞ্ছাইজে পল ওয়াকারের বিভিন্ন ফুটেজ নিয়ে তৈরি করা হয়েছে গানটির ভিডিও।

Tuesday, April 7, 2015

ভিন ডিজেলের ১০টি ফ্যাক্ট

অনেকদিন ধরেই ভদ্রলোককে নিশ্চয়ই চেনেন, জানেন। আরেকটু ভাল ভাবে জানার জন্য এই ছোট্ট চেষ্টা।
ভিন ডিজেলের ১০টি ফ্যাক্টঃ
- আসল নাম মার্ক সিনক্লেয়ার ভিন্সেন্ট। ১৭ বছর বয়সে নিউইয়র্কে “টানেল” নামে একটা নাইটক্লাবে বাউন্সার হিসেবে কাজ করতে গিয়ে নিজের নাম বদলে রাখেন “ভিন ডিজেল”।
- পল ভিন্সেন্ট নামে যমজ ভাই আছে তার।
- নিউইয়র্কের এক থিয়েটারে “আকাম” করতে গিয়ে নিজের ভাই, বন্ধুসহ থিয়েটারে কর্মরত এক মহিলার হাতে ধরা পড়েন। মহিলা তাদেরকে ২০ ডলার ও একটা স্ক্রিপ্ট ধরিয়ে দেন এবং “স্কুলের পর থিয়েটারের কাজে জয়েন করবেন” এই মর্মে তাদের মুক্তিও দেন।
- “সফল অভিনেতা ও মুভি নির্মাতা” পরিচয়ের পাশাপাশি তিনি ওয়ানরেস ফিল্মস, রেসট্র্যাক রেকর্ডস নামে প্রোডাকশন কোম্পানির প্রতিষ্ঠাতা।
- “ডানজনস অ্যান্ড ড্রাগনস” নামে একটা গেমের অন্ধভক্ত।
- “ব্রেকিং ইন দ্য ইউএসএ” নামে একটি ব্রেকড্যান্সিং ভিডিওতে অংশ নিয়েছিলেন।
- অভিনেতা হবার আগে টেলিমার্কেটারের কাজ করতেন। তার কাজ ছিল লাইটবাল্ব ও মেকানিক টুলস বিক্রি করা। এবং এই কাজ করে প্রায় ৫০ হাজার ডলার কামিয়েছিলেন !!
- নিউইয়র্কের হান্টার কলেজে ইংলিশে ভর্তি হয়েছিলেন। কিন্তু লসএঞ্জেলেসে অভিনয় শুরু করার দরুন পড়াশোনা চালিয়ে যেতে পারেন নি।
- তিন বাচ্চার গর্বিত বাবা। একটা বাচ্চার নাম প্রয়াত বন্ধু পল ওয়াকারের নামানুসারে রেখেছেন “পলিন”।
- সামাজিক যোগাযোগে একটা মহাতারকা বলতে পারেন। ফেসবুকে টোটাল ফলোয়ার ৮ কোটি ৭২ লক্ষেরও বেশি !!

দ্য রক

মূলত তার রেসলিংয়ের ফ্যান ছিলাম। এমনই ফ্যান ছিলাম যে তার মুভস, কথাবার্তা, চালচলন, লুক সবকিছু কপি করার চেষ্টা করতাম। কিন্তু অতিস্বাভাবিক ভাবেই পারতাম না...

আমার এক বন্ধু ছোটবেলায় নিজের নামের সাথে তার নামটা যোগ করে দিয়েছিল। ওর রুমের দরজায় লেখা থাকতো-

“দয়া করে জুতা খুলে প্রবেশ করবেন- 
অনুরোধক্রমে মামুন আজাদ (রক)”

এছাড়াও মেহেদি দিয়ে হাতে নাম লেখা থেকে শুরু করে আরও যত পাগলামি আছে সব করত ও...

এ কথা বলতেই পারি যে ওর মত “দ্য রক” ফ্যান আজও দেখিনি/পাইনি/শুনিনি।
তো আমাদের ছোটবেলার সেই সুপারস্টার দ্য রক অবশ্য পরবর্তীতে রেসলিং থেকে হলিউডের রঙিন দুনিয়ায় পা রাখেন এবং যথেষ্ট সফলতার সাথে এখনও অভিনয় চালিয়ে যাচ্ছেন।

তবে টাফ লুকের আড়ালে আর ১০টা সাধারণ মানুষের মত তারও রয়েছে কোমল একটা মন। যার বহিঃপ্রকাশ আমরা দেখি বিভিন্ন ঘটনাপ্রবাহে...

যেমন এই ইস্টার সানডেতে এক ক্যান্সারধারী ভক্তের সাথে দেখা হয়ে যায় তার।

কাজ শেষ করে নিজের পিকআপ ড্রাইভ করতে করতে ফিরছিলেন দ্য রক। হঠাৎ খেয়াল করলেন যে কয়েকটা ছেলে তার গাড়ির পেছন পেছন দৌড়াচ্ছে আর চিৎকার করছে। তো গাড়ি থামিয়ে ব্যাপারটা কি জানার জন্য নামতেই ছেলেগুলো এসে জড়িয়ে ধরল তাকে। এই ছেলেগুলোর মাঝে একজন নিক মিলার। যে কিনা ক্যান্সারে আক্রান্ত...

নিজের হিরোর সাথে দেখা করার জন্য মাসের পর মাস অপেক্ষা করছিল নিক। দ্য রকের মাধ্যমে নিক কত অনুপ্রেরণা পেয়েছে- শুধু এটা বলার জন্যই এই দেখা করা, কথা বলা...

নিকের এই আকুলতা রকের মন ছুঁয়ে যায়। তাই বিদায় নেয়ার পর ফিরতে ফিরতে দ্য রক লেখেন-          
“Let's always take a moment to count our blessings.. cause there's always something to be grateful for..”


Hats off the Rock…