Monday, October 5, 2015

Mad Max New Movie !!!

ম্যাড ম্যাক্স লাভারদের জন্য সুখবর !!!
ওয়ারনার ব্রাদার্স এবার আরও দুই ম্যাড ম্যাক্স মুভি বানানোর প্ল্যান করছে সাম্প্রতিককালে জানিয়েছেন ডিরেক্টর জর্জ মিলার।
ম্যাড ম্যাক্স ফ্রাঞ্ছাইজের প্রতিষ্ঠাতা ডিরেক্টর জর্জ মিলার টপ গিয়ারের সাথে কথা বলার এক পর্যায়ে জানান যে এখনও তার হাতে অন্তত দুইটা মুভি বানানোর মালমসলা বিদ্যমান এবং তিনি এগুলো কাজে লাগাতে চান।
তিনি আরও বলেন, "আমরা অন্তত ৩ বার ফিউরি রোড শুরু করার একদম কাছাকাছি চলে গিয়েছিলাম এবং ৩ বারই আমাদের ব্যর্থ হতে হয়। মেল গিবসনকে নিয়ে ২০০১ সালে কাজ করার সময়ে ৯/১১ ঘটে যায় এবং অস্ট্রেলিয়ান ডলারের বিপরীতে ইউএস ডলারের মান প্রায় ৩০% কমে যায়। যার ফলে রাতারাতি আমরা আমাদের মুভি বাজেট হারিয়ে ফেলি।
অস্ট্রেলিয়াতে আমরা বৃষ্টির সম্মুখীন হই। ১৫ বছর পর ওইবার ওই এলাকায় বৃষ্টি হচ্ছিল। ফলে আমাদের চলে যেতে হয় নামিবিয়াতে, দক্ষিণ পশ্চিম আফ্রিকায়। এবং তখন চরিত্র ও ভেহিকেলের প্রয়োজনে মুভির পেছনের গল্প টেনে আনতে হয়। নইলে স্টিয়ারিং হুইলের গাড়ি কিভাবে আর্টিফ্যাক্টে রূপান্তরিত হল, তার গল্প কিভাবে বলব?
শেষপর্যন্ত আমাদের দু'টো স্ক্রিপ্ট বানাতে হয়। এখন আমরা ওয়ারনার ব্রাদার্সের সাথে এ নিয়ে কথা বলছি। তবে কোন স্ক্রিপ্টের মুভি আগে আসবে, তা এখনও বলা যাচ্ছে না।"
তবে মিলারের কথা থেকে এটা আশা করা যায় যে বিয়ন্ড থান্ডারডোম থেকে ফিউরি রোডের মাঝের ৩০ বছরের গ্যাপের মত এবারে এত বড় গ্যাপ পড়বে না।
মিলার বলেন, "আমি প্রথমে স্পেশাল এফেক্ট ছাড়া ছোট একটা মুভি বানাতে চাই শুধুমাত্র কাজটা যেন তাড়াতাড়ি এগিয়ে যায়, সে কারণে (তবে আসলে মুভির কাজ শেষ করে তিনি যে স্পেশাল এফেক্টের দিকে পা বাড়াবেন এটা বলাই বাহুল্য) ফিউরি রোডের কাজ করতে আমাদের সময় লেগেছে প্রায় ৮ মাস। এটা অনেক বেশি সময়। প্রচণ্ড গরমে আর ধুলাবালিতে এতদিন ধরে কাজ করাটা খুবই কঠিন। আমরা আরও দু'টো মুভি বানাবো, তবে ভবিষ্যতে।"
এরআগে মিলার বলেছিলেন যে পরবর্তী ম্যাড ম্যাক্স মুভির নাম হবে "ম্যাড ম্যাক্স - দ্য ওয়েস্টল্যান্ড" তবে এখানে এখনও কেউ শিওর না যে কোন স্ক্রিপ্ট অনুযায়ী মুভির কাজ শুরু হবে। টম হার্ডি অবশ্য আরও ৩টি ম্যাড ম্যাক্স মুভিতে সাইন করার কথা উল্লেখ করেছেন। এবার দেখা যাক কি হয়...

Friday, September 25, 2015

বয়ঃসন্ধি

ঈদের নাটক দেখা মানেই বিজ্ঞাপনের ফাঁকে ফাঁকে নাটকের কিছু ছন্নছাড়া অংশ দেখার ব্যর্থ প্রচেষ্টা মাত্র। তারপরও জিটিভির "ব্রেক ফি" ঈদ ফেস্টে মুভি এবং এনটিভিতে একটা টেলিফিল্ম দেখার চেষ্টা করেছিলাম। ব্যস্ততার কারণে পুরোটা দেখা সম্ভবপর হয়ে ওঠেনি।
শেষপর্যন্ত চলে এলাম 3rd Bell এ "তুমুল আলোচিত" নাটক বয়ঃসন্ধি দেখবো বলে।
দেখলাম। ভালই লাগলো।
কিশোর বয়সী একটা ছেলের গল্প এটা। কাজ করতে করতে নিজের চেয়ে বয়সে বড় এক বনেদি বউয়ের প্রেমে পড়ে। সেটা প্রকাশও করে, তবে সাসপেন্সটা থাক, আমি নাইবা বলি।
স্ট্রেইট কিছু ডায়ালগ আছে এই নাটকে।
আছে আমাদের কথ্য ভাষায় বহুল ব্যবহৃত একটা গালিসূচক শব্দ।
সবমিলিয়ে আধাঘণ্টা আপনার সময়টা খারাপ কাটবে না আশা করি।
দেখতে পারেন।

Friday, July 10, 2015

গাল গাদত

আসুন আমাদের নিউ ওয়ান্ডার ওমেন গাল গাদতের সাথে পরিচিত হই... :p

সাবেক মিস ইজরায়েল গাল গাদত ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস ফ্রাঞ্ছাইজে সেরাম ব্রেক পাওয়ার পর এখন আসছেন Batman VS Superman: Dawn of Justice এ। ইজরায়েলের রশ হায়িনের কাছে জন্ম নেয়া গাল গাদত ছোটবেলার একটা স্মৃতি মনে করতে গিয়ে বলেন, "আমার মায়ের কাছ থেকে শোনা এই ঘটনা। আমার যখন ৩ বছর বয়স তখন একদিন তারা আমাদের বাড়ির ছাঁদে একটা পার্টির আয়োজন করেন। তারা আমাকে বিছানায় শুইয়ে রেখেছিলেন। আমি শুনছিলাম যে মানুষ আসছে যাচ্ছে কিন্তু আমার কাছে কেউ আসছে না। তখন আমি ছাঁদে চলে যাই এবং হোস পাইপ নিয়ে সবার ওপর পানি ছিটাতে শুরু করি মনোযোগ আকর্ষণের জন্য।" :-O

"গাল" শব্দের অর্থ ঢেউ, "গাদত" শব্দের অর্থ নদীর তীর। সো পানির কানেকশনটা থাকাটাই স্বাভাবিক :D টিনেজ বয়সে মডেলিংয়ের অফার পেলেও তা গাদতকে আকর্ষণ করত না। তিনি বলেন, "আমি ১২ বছর ড্যান্স করেছি। ব্যালে, হিপহপ, মডার্ন, জ্যাজ ইত্যাদি। আসলে তখন কোরিয়গ্রাফার হতে চেয়েছিলাম।" হাই স্কুল গ্র্যাজুয়েট হবার পর, ইজরায়েল ডিফেন্স ফোর্সে ২ বছর কাটানোর ঠিক আগে গাদতকে অফার করা হয় "মিস ইজরায়েল" কন্টেস্টে যোগদানের জন্য। নিজের নাতিনাতনীদের অন্তত বলা যাবে, এই চিন্তা করে তিনি রাজি হয়ে যান :p এবং জিতেও যান :D

ডিফেন্সের সার্ভিসের পর ল স্কুলের ভর্তি হন। কিন্তু কিছুদিন পরেই জেমস বন্ড মুভিতে অডিশনের ডাক পান। যদিয়ও শেষপর্যন্ত আর জেমস বন্ড মুভিতে অভিনয় করা হয়ে ওঠেনি। কিন্তু ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াসের ৪র্থ মুভিতে অভিনয়ের সুযোগ পেয়ে যান যেটা ছিল তার প্রথম মুভি ও অভিনেত্রী হিসেবে ২য় কাজ।

তারই ধারাবাহিকতায় এবার ওয়ান্ডার ওমেন হতে যাচ্ছেন এই সুন্দরী। হাতে রয়েছে আরও ২ থ্রিলার মুভি - ক্রিমিনাল ও ট্রিপল নাইন। অন্যদিকে সাম্প্রতিককালে গুচির পণ্যদূত হিসেবেও সাক্ষরিত হয়েছেন। হাজবেন্ড ও ৩ বছরের মেয়ে আলমাকে নিয়ে সুখের সংসার তার।  

Vanity Fair   

Monday, June 29, 2015

Top Gun 2

টম ক্রুজ তার শ্বাসরুদ্ধকর অভিনয় যেভাবে চালিয়ে যাচ্ছেন, তা দেখলে আসলে মনে হয় না যে আরেকটা “টপ গান”-র প্রতীক্ষা করাটা খুব একটা অমূলক হবে। আর এই আভাসে আরও একটু ঘি ঢেলে দিলেন ডেভিড এলিসন। টারমিনেটর জেনেসিসের ইউরোপিয়ান পাবলিসিটি ট্যুরে ভক্তদের এই আশা দিয়েছেন এলিসন।

কলাইডারকে তিনি বলেছেন, “জাস্টিন মার্কস টপ গান ২-র স্ক্রিনপ্লে লিখছেন এখন। নেভির ফাইটার পাইলটরা আজকের দুনিয়ায় আসলে কি করছেন এবং কিসে পরিণত হয়েছেন সেটাই তুলে ধরতে চান তিনি। তবে ম্যাভরিক ছাড়া টপ গান হবে না। আমি জানি না সবাই কি আশা করছেন। কিন্তু আমরা আশাবাদী যে আমরা মুভিটা বানাতে পারব। এবং জাস্টিন ঠিক সেই কাজটাই করে যাচ্ছেন...”

প্রায় ৫ বছর ধরে টপ গানের একটি সিকুয়েল ডেভেলপমেন্টের টেবিলে রয়েছে যেখানে কাজ করছিলেন দ্য ইউজুয়াল সাস্পেক্ট খ্যাত ক্রিস্টফার ম্যাকয়ার ও দ্য টাউন খ্যাত পিটার ক্রেইগ।

Entertainment Weekly 


Friday, April 24, 2015

২য় বিশ্বযুদ্ধ ভিত্তিক সেরা ১৩ মুভি

২য় বিশ্বযুদ্ধ। দুনিয়ার বুকে মানব সভ্যতা ধ্বংস করে দেয়ার মত যে কয়েকটা চেষ্টা করা হয়েছে, তার মধ্যে অন্যতম হচ্ছে এটা। ১৯১৮-র পর থেকে একটু একটু জমতে থাকা অবিশ্বাস, হিংসা, ক্ষমতার লড়াইয়ের এক বিস্ফোরণ বলতে পারেন এই বিশ্বযুদ্ধকে। যার বহিঃপ্রকাশে নিদারুণভাবে মরতে হয়েছে পৃথিবীব্যাপী কয়েক মিলিয়ন নিরীহ মানুষকে।

এমনকি এই যুদ্ধের ভয়াবহতা এতটাই নির্মম ছিল যে এখনও অনেক দেশের মানুষকে এর ঘানি বয়ে বেড়াতে হচ্ছে। পৃথিবীর ইতিহাস বদলে দেয়া এই যুদ্ধের ওপর ভিত্তি করে অনেক মুভি তৈরি করা হয়েছে। যেগুলোর মধ্য থেকে ১৩টি মুভিকে ওয়ার হিস্ট্রি অনলাইন তাদের সেরা মুভির তালিকায় রেখেছে।

১। ইনগ্লরিয়াস বাস্টার্ডস

বলতে পারেন ক্যামনে কি? এই মুভি হয়ত টু দ্য ফ্যাক্ট নয়। কিন্তু সব মুভিকেই যে টু দ্য ফ্যাক্ট হতে হবে এমন কোন কথাও তো নেই, না? ব্লাড, ভায়োলেন্স, ডার্ক টুইস্টেড হিউমার- যা সাধারণত থাকে টারান্টিনোর মুভিতে। জার্মান লাইনের ঠিক বাইরে ওত পেতে থাকা এক ইহুদি গ্রুপ “বাস্টার্ডস” নিয়ে কাহিনী এগিয়ে গিয়েছে।

২। দ্য পিয়ানিস্ট

একজন পোলিশ ইহুদি পিয়ানিস্ট ও কম্পোজারের সত্য ঘটনার ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা মুভি। ২য় বিশ্বযুদ্ধে ঘটে যাওয়া ইহুদি গণহত্যার এক নিদারুণ চিত্র এই মুভিতে দেখা যায়।

৩। দ্য ব্যাটল অভ ব্রিটেন

মূলত ৩টি কারণে ১৯৬৯ সালে রিলিজ পাওয়া মুভিটি এই লিস্টে জায়গা করে নিয়েছে। প্রথমত, ২য় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে সমস্যাসঙ্কুল ব্যাপারটা নিয়েই মুভিটি তৈরি। দ্বিতীয়ত, যুদ্ধে সত্যিকারে ব্যাবহার করা বিমানগুলোই এই মুভিতে ব্যাবহার করা হয়েছে। তৃতীয়ত, ডগফাইট।

৪। আ ব্রিজ টু ফার

একই নামের বইয়ের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। বিশ্বযুদ্ধের যবনিকা পতনের ঠিক আগে ঘটা এক ব্যর্থ অপারেশনের ওপর ভিত্তি করে তৈরি। অপারেশন মার্কেট গার্ডেন। পরবর্তীতে বিখ্যাত গেম কল অভ ডিউটি-২ এই মুভির ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা হয় এবং গেমের চরিত্র ক্যাপ্টেন প্রাইসও মুভির চরিত্র ক্যাপ্টেন প্রাইসের সরাসরি ছায়া।

৫। দ্য লঙ্গেস্ট ডে

টারান্টিনোর ঠিক উল্টোটা করেছেন কেন আনাকিন। ডি ডেতে আসলে কি ঘটেছিল, তার ওপর ভিত্তি করে বানানো হয় এই মুভি।

৬। টোরা টোরা টোরা

পার্ল হারবার অ্যাটাক নিয়ে তৈরি হওয়া মুভিগুলোর মধ্যে সবচেয়ে অ্যাকুরেট বলা হয় এই মুভিকে। ’৭০-র দিকে আমেরিকান ও জাপানিজ পরিচালকদের সমঝোতায় তৈরি হওয়া এই মুভিতে পার্ল হারবার অ্যাটাকে আমেরিকান ও জাপানিজ দু’পক্ষকেই দেখানো হয়েছে।

৭। স্টালিনগ্রাড

স্টালিনগ্রাডের যুদ্ধ সম্ভবত ২য় বিশ্বযুদ্ধের সবচেয়ে বড় ইভেন্টগুলোর একটা যেখানে জার্মান আর রাশানরা একে অপরের প্রতিপক্ষ ছিল। জার্মানদের দিক থেকে এই যুদ্ধ- এর ওপর ভিত্তি করে তৈরি করা এটা ২য় মুভি। “তোমরাই শ্রেষ্ঠ” গালভরা এই কথার আড়ালে রাশান টেরিটরির বিপদজনক এই শহরে যেসব জার্মান সেনাকে পাঠানো হয়, তাদের কি ভয়ংকর অভিজ্ঞতার সম্মুখীন হতে হয়েছে, পরিচালক তাই ফুটিয়ে তুলেছেন।

৮। দ্য ব্রিজ অন দ্য রিভার কুয়াই

যুদ্ধ বন্দীদের দ্বারা নির্মিত বার্মা রেলওয়ে, যা কিনা ডেথ রেলওয়ে নামেও পরিচিত ছিল- এই সত্যিকার গল্প নিয়ে তৈরি মুভি। জাপানিজ ও কোরিয়ানের অত্যাচারে কমপক্ষে ৯০ হাজার বন্দীর মৃত্যুর ঘটনা ঘটে এই সময়ে। সর্বকালের অন্যতম সেরা মুভি বলা হয় একে।

৯। দ্য গ্রেট এসকেপ

অনেকের মতেই কিছুটা ডাম্ব টাইপ এই মুভি তৈরি করা হয় ১৯৪৪ সালে প্রকাশিত পল ব্রিখিলের এক বইয়ের ভিত্তি করে। বর্তমান পোল্যান্ডের স্টালাগ লুফট ৩ থেকে যুদ্ধবন্দীদের পালিয়ে যাওয়া- ছিল এই মুভির কাহিনী।

১০। সেভিং প্রাইভেট রায়ান

স্টিভেন স্পিলবারগ ও টম হ্যাঙ্কসের মাস্টারপিস। আর কিছু বলার আছে বলে মনে হয় না।

১১। ডাস বুট

জার্মান মুভি। যুদ্ধের সময় আসলে কেমন ফিলিং কাজ করে তা বোঝাতে এর শুটিং করা হয়েছিল অরিজিনাল জার্মান ইউ বোটের ভেতরে। ইউএসএতেও রিলিজ পায় দ্য বোট নামে।

১২। লেটারস ফ্রম আইও জিমা

জাপানিজ আমেরিকান মুভি। ডিরেকশনে ছিলেন ক্লিন্ট ইস্টউড। জাস্ট সেনা নয়, যুদ্ধ কবলিত সাধারণ মানুষের মতই এখানে জাপানিদের দেখানো হয়েছে। চোখের পানি ধরে রাখা মুশকিল হতে পারে।

১৩। গ্রেভ অভ দ্য ফায়ারফ্লাইস

১৯৮৮ সালে রিলিজ পাওয়া জাপানিজ অ্যানিমেশন মুভি। যুদ্ধ-বিধ্বস্ত জাপানে টিকে থাকার সংগ্রাম উঠে এসেছে এই মুভিতে।



   

Thursday, April 23, 2015

ফিউরিয়াস ৮ রিলিজ ডেট

ফাস্ট অ্যান্ড দ্য ফিউরিয়াস ফ্যানদের জন্য সুখবর ! সুখবর !! সুখবর !!!

ফিউরিয়াস ৭-র অতিমানবীয়তা শেষ হবার আগেই ফিউরিয়াস ৮-র রিলিজ ডেট কনফার্ম করলেন ভিন ডিজেল। ২০১৭ সালের ১৪ই এপ্রিল রিলিজ পাবে এই মুভি। বৃহস্পতিবার লাস ভেগাসে ইউনিভার্সালের সিনেমাকন প্যানেলে এ কথা জানান ডিজেল।

ফ্রাঞ্ছাইজের মুভিগুলোর জন্য বিপুল সাড়ার মাত্রা দেখে কান্নাজড়িত কণ্ঠে ডিজেল উপস্থিত দর্শকদের ধন্যবাদ জানান এবং বলেন,

“আপনাদের আশীর্বাদ আমাদের কাছে অনেক বড়... আপনারা আমাদের আত্মবিশ্বাস অনেকগুণে বাড়িয়ে দিয়েছেন। তাই তো আমরা আবার সাহস করছি...”  

আর এরই সাথে ২ বছর আগে সিজার প্যালেসের সেই সময়টাও রোমন্থন করতে থাকেন তিনি, যেখানে তার সাথে স্টেজ শেয়ার করেছিলেন সদ্য প্রয়াত বন্ধু পল ওয়াকার।

জীবনটাই কি অদ্ভুত, তাই না? ২ বছর আগে মানুষটা ছিলেন, আজ নেই।

যদিয়ও গত কিছুদিনে বিভিন্ন সোর্স থেকে বলা হচ্ছিল, গুজব ছড়াচ্ছিল যে ইউনিভার্সাল এই মুভি প্রোডাকশন বন্ধ করে দিতে পারে। ফিউরিয়াস ৭-র শুটিং চলাকালে এক মর্মান্তিক দুর্ঘটনায় প্রাণ হারান পল ওয়াকার। পরবর্তীতে স্টান্টম্যান, স্পেশাল এফেক্টস টেকনিশিয়ানদের ঘাম ঝরানো পরিশ্রমে প্রজেক্টটা শেষ হয়।

নতুন মুভির ঘোষণা দেয়ার ঠিক আগে ফিউরিয়াস ৭ –র চূড়ান্ত মুহূর্ত দেখানো হয়।


উল্লেখ্য ফিউরিয়াস ৭ বিশ্বব্যাপী ১.১৫ বিলিয়ন ইউএস ডলার আয় করে বর্তমানে হায়েস্ট গ্রসিং মুভিস অভ অল টাইম তালিকার ৭ নম্বরে রয়েছে।

Monday, April 20, 2015

কেভিন স্পেসি- পেইনফুল আর্লি লাইফ

“দ্য ইউজুয়াল সাস্পেক্ট” থেকে শুরু করে “আমেরিকান বিউটি”, অথবা হালের জনপ্রিয় নেটফ্লিক্স অরিজিনাল টিভি সিরিজ “হাউজ অভ কার্ডস”- যেখানকার কথাই বলুন না কেন, কেভিন স্পেসির অতুলনীয়, অতিমানবীয় অভিনয় ক্ষমতার প্রেমে পড়েন নি, এমন মানুষ খুব কমই আছেন।
প্রচণ্ড মেধাবী ও গুণী এই অভিনেতার কাজ সম্পর্কে আমরা বেশ ভালই অবগত।

কিন্তু যেটা জানি না সেটা হচ্ছে তার পূর্ববর্তী জীবনের কিছু গল্প...

কট্টর নাজিপন্থী, শারীরিক ও যৌন আক্রমণকারী বাবা থমাস জিওফ্রে ফওলারের কাছে বড় হয়েছেন স্পেসি। হিটলারকে আইকন মানতেন স্পেসির বাবা এবং দাবী করতেন যে ২য় বিশ্বযুদ্ধে কোন গণহত্যা সংঘটিত হয় নি। ভাই রান্ডাল ফওলার ফক্স নিউজকে দেয়া এক ইন্টারভিউতে দাবী করেন যে বাবা থমাস ফওলার স্পেসিকে একা ফেলে রেখে তাদের ও তাদের এক মহিলা আত্মীয়ার ওপর যৌন নির্যাতন চালাতেন। এবং এই ট্রমা আজও কেভিন স্পেসিকে তাড়িয়ে নিয়ে বেড়ায়।

এইসব কাহিনী কীর্তির জন্য স্পেসি চিরতরে বাবাকে ত্যাগ করেন এবং মায়ের বিবাহ পূর্ববর্তী নাম “স্পেসি”-কে নিজের নামের সাথে জুড়ে দেন।

তীব্র যন্ত্রণাদায়ক অতীত সম্পর্কে কেভিন স্পেসি বরাবরই অনেক বেশি চাপা স্বভাবের। পারতপক্ষে বিভিন্ন ইন্টারভিউতেও ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে করা প্রশ্নগুলোকে সযত্নে এড়িয়ে যান।

লেখাটা শেষ করব তারই বলা একটি কথা দিয়ে-

"If you're lucky enough to do well, it's your responsibility to send the elevator back down."